লেখক: মোঃ সাইদুর রহমান ফরাজী
একসময়, গাড়ি কেনাটা ছিল পুরোপুরি যুক্তির ব্যাপার। ক্রেতারা চিন্তা করত ইঞ্জিনটা কত বড় হবে, কত জোরে যাবে, কত বেশি তেল খাবে আর অবশ্যই দামটি কত হবে।
আজকের দিনে সেই বয়ান সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
মাত্র এক বছর আগের কথা, ১ ও ২ মে ২০২৫-এ তেজগাঁওয়ের Aloki-তে বসিছিলো ঢাকার প্রেক্ষাপটে বেশ ব্যতিক্রমী একটি আয়োজন: এমন একটি অটোমোবাইল ইভেন্ট, যা অত্যন্ত যত্ন ও পরিকল্পনার সাথে সাজানো হয়েছিল। চলুন আরো একবার অনুভব করে নিই প্রারম্ভিক আসরটি কেন মানুষের মনে এত গভীর দাগ কেটেছিল।
মাঝে মাঝে কিছু পুরনো গাড়িতে এমন সব বৈশিষ্ট্য দেখা যায় যা দেখে মনে হয় গাড়িটি ডিজাইনার ভবিষ্যৎ থেকে নিয়ে থেকে এসেছেন। আর কখনো কখনো গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলি এমন ভবিষ্যৎমুখী গাড়ি তৈরি করে যা বাজারের চাহিদা ও সময়ের থেকেও যুগ যুগ এগিয়ে থাকে। এরকম চারটি গাড়ি নিয়ে কিছু কথা বলব আজ।
অটোমোটিভ জগতে অত্যন্ত সাধারণ ও বাস্তবসম্মত কোনো গাড়ির ভেতর শক্তিশালী ইঞ্জিন বসিয়ে দেওয়ার কৌশলটি নতুন কিছু নয়। প্রত্যেক গাড়ি প্রতিষ্ঠানেই তাদের জনপ্রিয় গাড়িগুলোর একটি “স্লিপার” রূপ তৈরি করে।
তবে Toyota এই ব্যাপারে এক কাঠি সরেস।
MG বাংলাদেশে নিজেদের বৈদ্যুতিক উপস্থিতি বাড়াতে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে। শুরুটা হয়েছিল HS মাঝারি ক্রসওভার দিয়ে—যা ব্র্যান্ডটির Super Hybrid ড্রাইভ সিস্টেমের সহায়তায় কেবল ব্যাটারি শক্তিতেই ১০০ কিলোমিটারের বেশি চলতে পারে। এরপর আসে তুলনামূলক ছোট ZS। তবে MG তাদের তৃতীয় হাইব্রিড গাড়ির জন্য উল্টো পথ অনুসরণ করে দেশের মাটিতে নিয়ে এসেছে তিন সারির আসনবিশিষ্ট বিশাল MGS9 রেঞ্জ-এক্সটেন্ডেড SUV।
আর স্বাভাবিকভাবেই, MG সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই গাড়ির উন্মোচনটি তার আকারের মতোই রাজকীয় ও বিশাল হওয়া উচিত।
ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভি নিয়ে বিতর্কগুলো সাধারণত অতি-সরলীকরণ করা দুটি ধারায় আটকে যায়: পরিবেশবান্ধব বনাম ক্ষতিকর, কিংবা ভবিষ্যৎ বনাম অতীত। তবে ভেতরের সংখ্যা ও পরিসংখ্যান আরও জটিল এক বাস্তবতার কথা বলে।