SUV ও Sedan আনছে McLaren
সুপারকারের পাশাপাশি এবার পুরো পরিবারের উপযোগী বিলাসবহুল গাড়ি তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে ব্রিটিশ সুপারকার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান McLaren।
Automotive News-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালিকানা ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর ব্র্যান্ডটি তাদের পণ্যসম্ভার বাড়াতে একটি নতুন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর অন্তত একটি করে নতুন মডেলের গাড়ি উন্মোচন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় চমক McLaren-এর তৈরি প্রথম SUV, যার কোডনেম রাখা হয়েছে 'P47'।
২০২৮ সালে বাজারে আসার সম্ভাব্য সময় ধরে নির্মিত এই চার-দরজা ও পাঁচ-আসনের যানটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করবে Ferrari, Lamborghini, Aston Martin, Bentley এবং Porsche-র বিলাসবহুল SUV প্রতিদ্বন্দ্বীদের ।
ডিলারদের বরাতে জানা গেছে, গাড়িটির প্রাথমিক মাটির তৈরি মডেল (clay model) এর আকার Porsche Cayenne Turbo GT-র চেয়েও বড় এবং ডিজাইনটিরর আছে স্পোর্টি সিলুয়েট, পেশিবহুল বডি ও বিশাল ২৪ ইঞ্চির চাকা।
SUV-র পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী একটি ফ্রন্ট-ইঞ্জিন গ্র্যান্ড ট্যুরার তৈরির প্রস্তুতিও নিচ্ছে McLaren, যা খুব সম্ভবত Sedan বডি ব্যবহার করবে। GTS মডেলের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আসতে যাওয়া এই নতুন গাড়িতে ব্যবহার করা হবে '২+২' সিটিং কনফিগারেশন। গাড়িটি বাজারে এলে Lamborghin-র Lanzador কনসেপ্ট, Ferrari-র Luce EV এবং Aston Martin-র DB12-এর মতো মডেলগুলোর সাথে সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে।
তবে এই মডেলগুলো বাজারে আসার আগেই ২০২৭ সালে নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মের পারফরম্যান্স সুপারকার উন্মোচন করবে প্রতিষ্ঠানটি, যার অভ্যন্তরীণ কোডনেম 'P34'। বাজারে আসার প্রথম বছরেই অন্তত ১,০০০ ইউনিট সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে McLaren।
সাবেক 720S, 765LT, 750S এবং 788HS-এর উত্তরসূরি হতে যাওয়া এই মিড-ইঞ্জিন হাইব্রিড সুপারকারে থাকবে একটি টুইন-টার্বো V6 ইঞ্জিন এবং ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন, যা সম্মিলিতভাবে ৮১০ হর্সপাওয়ার এবং প্রায় ৮০০ পাউন্ড-ফুট টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম।
আইকনিক McLaren F1-এর অনুপ্রেরণায় তৈরি এই গাড়িতে ইঞ্জিন প্রদর্শনীর জন্য থাকবে টেম্পার্ড-গ্লাসের ইঞ্জিন কভার এবং চামড়ায় মোড়ানো প্রিমিয়াম কেবিন। Artura মডেলের চেয়ে কিছুটা লম্বা এই সুপারকারটির প্রাথমিক দাম হতে পারে প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩ কোটি ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা)।
ইউরোপজুড়ে চীনা গাড়িগুলোর আগ্রাসী উপস্থিতির একটি বড় মাইলফলক রচিত হলো যুক্তরাজ্যে; সেখানে গত মাসে বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ির মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে চীনের তৈরি একটি ক্রসওভার।