Ferrari Luce-কে আরও বিকট রূপ দিল Vossen
Ferrari-র প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়িটিতে কিছু বিদঘুটে সংযোজন এনেছে Vossen।
জনপ্রিয় আফটারমার্কেট হুইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান Vossen Wheels ইতালিয়ান ব্র্যান্ড Ferrari-র বৈদ্যুতিক গাড়ি Ferrari Luce-এর জন্য তাদের প্রথম আফটারমার্কেট স্টাইলিং কনসেপ্ট উন্মোচন করেছে।
মন্দের ভাল হল এটি এখনো কোনো বাস্তব গাড়ি নয়, বরং সম্পূর্ণ ডিজিটাল রেন্ডার।
Maranello-র ঐতিহ্যবাহী ডিজাইনের ধারা থেকে বেরিয়ে আসা এবং সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন ব্যবহারের কারণে গাড়িপ্রেমীদের মাঝে এমনিতেই ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে Ferrari Luce। মূল গাড়িটির নকশা করেছিলেন একজন সাবেক Apple ডিজাইনার, যিনি আগে iPhone-সহ বেশ কিছু Apple পণ্যে কাজ করেছিলেন। এবার সেই মডেলটিকে আরও উগ্র ও অদ্ভুত রূপে সাজিয়েছে Vossen।
এই ডিজিটাল কনসেপ্টে গাড়িটিতে বেশ কিছু বিশালাকৃতির পরিবর্তন আনা হয়েছে। যুক্ত করা হয়েছে Vossen G2-13T আল্ট্রা-লাইটওয়েট ফোর্জড হুইল, যা দেখতে Ferrari-র অফিশিয়াল কনফিগারেটরের অ্যারোডাইনামিক হুইলগুলোর মতোই। চাকার ব্যাস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও দেখে প্রায় ২২ ইঞ্চির মতো মনে হচ্ছে। এছাড়া ডাউনফোর্স বৃদ্ধি এবং পেছনের লুক আরও তীব্র করতে একটি বিশাল রিয়ার উইং যুক্ত করা হয়েছে।
তবে এই বাড়তি ভিজ্যুয়াল ড্রামায় গাড়ির ব্যবহারিক উপযোগিতা অনেকটাই নষ্ট হয়েছে। রেন্ডারে গাড়িটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এতটা কমিয়ে নিচে নামানো হয়েছে (slammed stance) যে হুইল আর্চ ও টায়ারের মাঝে ফাঁকা জায়গা প্রায় নেই বললেই চলে। এমন সাসপেনশন সেটআপের কারণে বাস্তব রাস্তায় গাড়িটি চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
অবশ্য কয়জন Luce মালিক তাদের গাড়ি চালানোর জন্য কিনবে, সেটা অন্য প্রশ্ন।
কোনো গ্রাহক যদি এই লুক আনতে চান, তবে এক সেট Vossen G2-13T হুইলের জন্য শিপিংসহ খরচ পড়বে প্রায় ৮,০০০ ইউরো বা ৯,৩০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১১ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা)।
হলিউড কিংবদন্তি Steve McQueen এবং ক্ল্যাসিক ভিন্টেজ Ferrari—সংগ্রাহকদের বাড়াবাড়ি রকম অর্থ খসানোর জন্য এই দুটি নামই যথেষ্ট। এবার এই দুই কিংবদন্তি একসঙ্গে উঠতে যাচ্ছে নিলামের হাতুড়ির নিচে।